জুলাই – আগষ্ট মাসে দুর্বৃত্তদের নাশকতা জ্বালাও পোড়াও ঠেকাতে, থানা-ফাঁড়ি-অস্ত্রাগার সহ সরকারী সম্পত্তি রক্ষা ও নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য দায়িত্বপালনের অংশ হিসাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট চার্জ করে, গুলি চালায়। এতে সারাদেশে অনেক জন আহত-নিহত হয়েছে এটা সত্য, তবে দেশজুড়ে নিহতদের মধ্যে ১৫%ও ছাত্র বা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট কেউ ছিলো না। মেটিকিউলাস ডিজাইনের অংশ হিসাবে অসংখ্য সাধারন মানুষ, ছাত্র, পুলিশ, আনসার, র্যাব সদস্য সহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ নিহত হয়েছে, অনেক জন মারা গেছে স্নাইপার শটের ৭.৬২ বোরের গুলিতে।
ইতোপূর্বে শহীদ গেজেটের স্ক্যাম নিয়ে আগের ৭টি পর্বে আলোচনা করেছি ধর্ষক, চাঁদাবাজ, নিজের গুলিতে, নিজেদের মব আক্রোমনে গনপিটুনিতে, নিজেদের সৃষ্ঠ অগ্নিকান্ডে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, হার্ট এটাকে, হিটস্ট্রোকে, কিডনি রোগে, ৫ই আগষ্টের পরে সহ নানাভাবে মারা যাওয়া মৃত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে তথাকথিত শহীদ গেজেট এর তালিকা দীর্ঘ করার বিষয়ে।
৩য় পর্বে আলোচনা করেছিলাম তথাকথিত এই শহীদ গেজেটের ৭৯৭ নাম্বারে থাকা যশোরের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ এর কথা যিনি ৫ই আগষ্ট জুলাই ষড়যন্ত্রকারীদের দেয়া আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন। লিখেছিলাম ৩৭৪ নাম্বারে রবিউল ইসলাম লিমনের বিষয়ে, যাকে তথাকথিত আন্দোলনকারীদের ৫ই আগষ্ট মব নৃশংসভাবে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে উল্লাস করেছিলো। আরো লিখেছিলাম গেজেটের ১৫৭ এবং ৮২৭ নাম্বারে থাকা সাইদুল ইসলাম ইয়াছিন এবং সাইফ আরাফাত শরীফ নামের দুই ধর্ষেকের বিষয়ে লিখেছিলাম, যাদেরকে ১৪ই আগষ্ট (২০২৪ইং) ছাত্রনামধারী মব পিটিয়ে হত্যা করেছে।(৩য় পর্ব সহ আগের সব পর্বের পোষ্ট লিঙ্ক এই পোষ্টের শেষে আছে)
আজও আলোচনা করবো তথাকথিত শহীদ গেজেটের স্ক্যাম নিয়ে। তথাকথিত আন্দোলনকারীদের আক্রমনে নিহত হয়ে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হওয়া শহীদের ‘মর্যাদা’ পাওয়া নিয়ে।
এইসব ঘটনা কি শুধুই নিহতদের ‘শহীদ’ এর সম্মান দেওয়া নাকি বাংলাদেশের জনগনের কস্টার্জিত ট্যাক্সের টাকায় এককালীন ৩০ লক্ষ টাকা, মাসিক ভাতা, একটি ফ্ল্যাট সহ অন্যান্য সব রকমের সুবিধা দিয়ে প্রকৃত ঘটনা পাশ কাটিয়ে নিহতের পরিবারের মুখ বন্ধ রেখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ন্যারেটিভ তৈরির করার কূটকৌশল??
*** ঘটনা – ১
এই নির্মম, নৃশংশ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি একদিকে যেমন হৃদয়বিদারক অন্যদিকে আন্দোলনের নামে সহিংসতায় অংশ নেয়া সন্ত্রাসীদের নির্মমতা, নৃশংশতার পরিচায়ক। এই ঘটনাই আন্দোলনের নামে মেটিকিউলাস ডিজাইনের ষড়যন্ত্র, আন্দোলনে সাধারন জনগনকে আবেগতাড়িত করা, আওয়ামী লীগ সরকারকে হত্যাকারী বানিয়ে সরকারের প্রতি সাধারণ জনগনকে ক্ষিপ্ত করে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার মাস্টারপ্ল্যানের কথাই মনে করিয়ে দেয়। মেটিকিউলাস ডিজাইন্ড প্ল্যানের ষড়যন্ত্রে যে নিজেদের লাশ ফেলে আমজনতাকে বোকা বানানো হয়েছে, এই হত্যাকান্ড তারই প্রমান।

৪ঠা আগষ্ট – সেলিম রেজা ওরফে সেলিম হোসেন বগুড়া লাইট হাউস স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষক ছিলো। শিক্ষার্থীদের খুব ভালোবাসতো বলে জুলাই এর প্রথম থেকেই তাদের সাথে ছিলো ও সহযোগিতা করতো। ৪ তারিখ বেলা ১১টায় আন্দোলনে গিয়ে দুই দফা টিয়ারশেল এবং একবার ককটেলের মুখে পড়ে বাসায় চলে যায়। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আবারও আন্দোলনে যোগ দিতে সাতমাথা যায়। সাতমাথা যাওয়ার একটু পরেই পুলিশের ধাওয়া খেয়ে সেলিম হোসেন বিক্ষোভকারীদের একটা অংশের সাথে ডাকবাংলোর ভেতরে আশ্রয় নেয়। সেখানেই বিক্ষোভকারী দুর্বৃত্তরা সেলিম হোসেনকে রড দিয়ে পিটিয়ে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
শহীদ (!) গেজেটের ৫১৮ নাম্বার সিরিয়ালে আছে নিহত সেলিম হোসেন এর নাম।
আমজনতা মনে প্রশ্ন জাগে, লীগ সংশ্লিষ্টরা সাতমাথারকোনদিকে ছিলো, পুলিশ বা লীগের ধাওয়া খেয়ে স্বপক্ষীয়দের সাথে ডাকবাংলো আসার পর কারা সেলিম হোসেন’কে হত্যা করলো !!! একপর্যায়ে সবাই উপলব্ধি করে বগুড়া লাইট হাউস স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা ওরফে সেলিম হোসেনকে অত্যন্ত সুক্ষ পরিকল্পনাতে হত্যা করা হয়। একজন শিক্ষক’কে হত্যার ঘটনায় বগুড়া লাইট হাউস স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক এবং শহরের সাধারন জনগন বিক্ষুব্ধ হয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে বেগবান করবে -এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবেই সেলিম হোসেনকে হত্যা করে, হত্যার দ্বায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে প্রচার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সেকেন্দার আলী বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ১০১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩৫০ জনকে আসামি করে ১৬ই আগষ্ট বগুড়ার সদর থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করে।
*** ঘটনা – ২
২০শে জুলাই ২০২৪ইং – নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোডের হাজি ইব্রাহীম খলিল কমপ্লেক্সের (প্রিয়ম নিবাস) এর দ্বিতীয় তলায় আছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, শিমরাইল শাখা। সেই ব্যাংকের ইন্টোরিয়রের কাজ করার জন্য গিয়েছিলো সোহেল আহমদ, আব্দুস সালাম, সেলিম মন্ডল, ফয়সাল মন্ডল সহ কয়েকজন। ঐ একই ভবনের ৫ তলায় ছিলো হাইওয়ে পুলিশের ব্যারাক। ২০ তারিখ ‘জুলাই ষড়যন্ত্রের বিক্ষোভকারী’ দের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়, তাদের লক্ষ্য করে ইট মারতে মারতে এক পর্যায়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বিক্ষোভকারীরা টায়ার নিয়ে এসে পেট্রল ঢেলে ঐ ভবনের সিঁড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ক্রমশঃ আগুন ছড়িয়ে যায় পুরো বিল্ডিংয়ে। সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করা হয় এবং প্রাণ বাঁচাতে ভবনে থাকা অন্য লোকজন যে যার মতো করে বেরিয়ে আসে। প্রচন্ড ধোঁয়া ও আগুনের উত্তাপে সোহেল, সালাম ও সেলিম বেরিয়ে আসতে পারে নাই, জীবন্ত দগ্ধ হয়ে যায় ব্যাংকের ভেতরেই। জুলাই ষড়যন্ত্রকারীদের সহিংস আচরনের কারনে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অনেক চেষ্টা করেও সেদিন আগুন নেভাতে পারেনি, পরদিন ২১ তারিখ আগুন নেভানো সম্ভব হলেও বিক্ষোভকারীদের কারণে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায় নাই। অগ্নিসংযোগের ২দিন পর অর্থাৎ ২২শে জুলাই দুপুরে প্রিয়ম ভবনের দ্বিতীয় তলায় থেকে সোহেল আহমদ, আব্দুস সালাম ও সেলিম মন্ডল এর অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ৩জনের নামই শহীদ (!) গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে;
গেজেটের ৪৪২ নাম্বার সিরিয়ালে আছে সোহেল আহমদ এর নাম, ৪৮৫ নাম্বার সিরিয়ালে আছে আব্দুস সালাম এর নাম এবং ৫২৬ নাম্বার সিরিয়ালে আছে মোঃ সেলিম মন্ডল এর নাম।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়;
মৃত্যুর ঘটনার ১১ মাস পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দায়ের করা আলাদা ৩টি মামলার মধ্যে ২টিতেই গুলি করে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।
একটু মনোযোগ দিয়ে পড়েন,
আব্দুস সালাম নিহত হওয়ার ঘটনায় তার আপন বড় ভাই আল-আমিন ও নিহত সেলিম মণ্ডলের বড় ভাই ওয়াজেদ আলী বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৭০/৮০ জনকে আসামি করে ৩০শে জুন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আলাদা ২টি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরেকটু সহজ করে বলি,
আব্দুস সালাম কে হত্যার অভিযোগে একই থানায় একই দিন একই সময়ে ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে অর্থাৎ দুটি মামলার এজাহারেই বাদী ভিন্ন হলেও নিহত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে একই ব্যক্তি ‘আব্দুস সালাম’ এর নাম !!!
মামলা দু’টির এজাহারে প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবং উল্লেখ করা হয় আসামিদের ছোড়া গুলিতে আব্দুস সালামের মৃত্যু হয়েছে।
পরবর্তীতে একটি মামলার বাদী ওয়াজেদ আলী জানায়, ‘নিহত আব্দুস সালাম আমার ভাই না। আমার ভাই হলো সেলিম মণ্ডল। তার মৃত্যু গুলিতে নয়, হয়েছে আগুনে পুড়ে। ‘আমি অশিক্ষিত মানুষ। এজাহার থানা পুলিশ লিখেছে, আমি কিছু জানি না। শুধু স্বাক্ষর দিয়েছি।’ এবং
২য় মামলার বাদী আল-আমিন বলেন, ‘আমার ভাই আব্দুস সালাম আন্দোলনে ছিল। আওয়ামী লীগের লোকজন গুলি করার পর ডাচ-বাংলা ব্যাংকে আশ্রয় নেয়। সে সময় ব্যাংকে আগুন ধরিয়ে দিলে আমার ভাই পুড়ে মারা যায়।’
নিহত সোহেল এর মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধু / সহকর্মী পরিচয় দেয়া আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে গত ২২শে মে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
এজাহারে লিখে ব্যাংকের ভেতর কাজ করার সময় আওয়ামী লীগের লোকজন ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। তখন প্রাণ বাঁচাতে আমি লাফিয়ে পড়লেও আমার বন্ধু সোহেল ভেতরে আটকা পড়ে যায়। ফলে আগুনে পুড়ে তার মৃত্যু হয়।’
*** ঘটনা- ৩
৫ই আগষ্ট ২০২৪ইং বিকালে ‘জুলাই ষড়যন্ত্রকারী’রা সারাদেশের মতো বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের বাড়িও ভাঙচুর শেষে অগ্নিসংযোগ করে। সেখানে একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় থাকতো রেনেটা ওষুধ কোম্পানির সেলসম্যান আল আমিন হোসেন সহ কয়েকজন। নীচতলার আগুন ছড়িয়ে দ্বিতীয় তলায় চলে আসলে ঐসময়ে ঘুমিয়ে থাকা আল আমিনসহ তার কয়েকজন সহকর্মীর শরীরে আগুন লাগে। শরীরে আগুন নিয়েই সবাই দ্বিতীয় তলা থেকে লাফিয়ে রাস্তায় পড়ে আর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেলে নিয়ে যায়। অন্যদের অবস্থা আশংকা মুক্ত হলেও পরদিন ৬ই আগষ্ট আল আমীনকে রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। শরীরের ৩৬ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ১৬ই আগষ্ট ভোর সাড়ে ৫টায় আইসিইউতে মারা যায় আল আমীন হোসেন।
শহীদ (!) গেজেটের ২৮৬ নাম্বার সিরিয়ালে আছে নিহত আল আমিন হোসেন এর নাম।
*** ঘটনা- ৪
২৫শে আগষ্ট ২০২৪ইং – চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে দিনভর সচিবালয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলো আনসার সদস্যরা। রাতে সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর আহ্বানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী রাতের বেলায় সচিবালয়ে এসে আনসারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এই সময় আহত হয় অন্তত ৪০ জন। ছাত্রদের পক্ষে থাকা জনৈক হাসান’কে সচিবালয় থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সচিবালয় এলাকায় আসে তার পিতা রেন্ট-এ-কার চালক শাহীন হাওলাদার। সংঘর্ষের মাঝে আহত হয় হাসানের পিতা, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ঠা সেপ্টেম্বর মারা যায়।
বলা বাহুল্য ছেলে রাজনৈতিক স্বার্থে আনসারদের উপর দোষ দিলেও বয়সের হিসাবে শাহীন হাওলাদারকে কোনোভাবেই ছাত্র মনে হবে না, তাই আনসার সদস্যরা তার উপর হামলা করবে এটাও সম্ভব না। নিশ্চিতভাবেই ছাত্ররাই শাহীন হাওলাদারকে আনসার সদস্য ভেবে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে আহত করেছে।
শহীদ (!) গেজেটের ৬৭৭ নাম্বার সিরিয়ালের আছে ২৫শে আগষ্ট আওয়ামী লীগমুক্ত রাজধানীতে আহত হয়ে ৪ঠা সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া শাহীন হাওলাদার এর নাম !!!
*** ঘটনা- ৫
৫ই আগষ্ট ২০২৪ইং – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছে খবর প্রচারিত হওয়ার পরপরই দুর্বৃত্তরা গণভবন সংসদ ভবনসহ সারাদেশে সরকারী স্থাপনায় হামলা, থানা-ফাঁড়িতে আক্রমন করে অস্ত্রাগার লুট ও পুলিশ হত্যা, লীগ নেতাদের বাড়ী-অফিস লুটপাট ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও হত্যা শুরু করে। এইসময় সংসদ ভবনে লুটপাটে অংশ নেয়াদের মধ্যে একজন ছিলো রথিন বিশ্বাস। ভাংচুর ও লুটপাটে ব্যস্ত ছিলো রথিন, এসময় কাঁচের বড় একটা টুকরা মাথায় পড়লে রথিন বিশ্বাস আহত হয় এবং পরবর্তী মারা যায়।
শহীদ (!) গেজেটের ২৬ নাম্বার সিরিয়ালে আছে রথিন বিশ্বাস এর নাম।
সামনে আরো পর্ব আসবে সেইসব পর্বেও থাকবে তথাকথিত শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত শহীদদের বিষয়ে আরো চমকপ্রদ কিছু তথ্য।


