শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত নিহত’দের“একই ঘটনায় একাধিক মামলা, ভুয়া মামলা ও ভুয়া বাদী” সমাচার

জুলাই - আগষ্ট আন্দোলনে নিহত কাওছার মাহমুদ এর কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরেও কাওছার মাহমুদ এর নাম শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং কাওছার জুলাই - আগষ্ট আন্দোলনে নিহত হয়েছে এমন দাবী করে তার পিতা আব্দুল মোতালেব গত ১লা জুলাই আওয়ামী লীগের ৯১ জন নেতা-কর্মী-সমর্থক এর নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০/২৫০ জনকে আসামী করে চট্টগ্রামের কোতয়ালী একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

অচেনা একজন
42 Min Read

জুলাই – আগষ্ট আন্দোলনে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য সমন্বয়ক’দের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানোর পর দেশব্যাপী মামলা দায়ের উৎসব শুরু হয়। সুপ্রীম অথরিটি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নামে প্রথম মামলা দায়ের করা হয় গত বছরের ১৩ই আগষ্ট, মোহাম্মদপুরের বছিলার মুদি দোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলা। ১৯শে জুলাই বছিলা ৪০ ফুট চৌরাস্তা পাকা রাস্তা পার হওয়ার সময় পুলিশের গুলিতে মারা মারা যায় আবু সায়েদ; এই ঘটনায় ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে শেখ হাসিনা সহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করে জনৈক এস এম আমীর হামজা শাতিল। ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মোহাম্মদপুর থানাকে মামলাটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয়।

এরপর থেকে গত ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন থানা ও ঢাকার নিম্ন আদালতে প্রায় ৫৭৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জুলাই – আগষ্ট ইস্যুতে সারাদেশে ৭৩১টি হত্যা মামলা সহ মোট ১৭৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫/২০টি মামলার চার্জশীটও আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

গত এক বছর যাবৎ দায়ের হওয়া প্রায় প্রতিটা মামলার এজাহারে, “শেখ হাসিনার নির্দেশে ওবায়দুল কাদেরের উসকানিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল ও আইজিপি মামুনের নির্দেশে পুলিশ গুলি করে” কিংবা “গত ১৫ই জুলাই থেকে ৫ই আগষ্টের মধ্যে শেখ হাসিনা সহ অন্যান্য’দের নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা পুলিশ, র‍্যাব ও এপিবিএন’কে সঙ্গে নিয়ে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলি করে, গুলিবিদ্ধ হয়ে সবাই মারা গেছে।” – প্রায় এমন টাইপের অভিযোগ করা হয়। মামলা’গুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য’দের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় থেকে স্থানীয় নেতা ও কর্মী-সমর্থক’দের আসামী করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মধ্যে ৯৯% মামলার এজাহার তৈরী ও আসামী হিসেবে শত-হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শিল্পপতি’দের দের নাম-ঠিকানা জোগাড় করে দিয়েছে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতা’রা, কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বপ্রনোদিত হয়ে মামলার বাদীও হয়েছে বিএনপি ও জামায়াত এর স্থানীয় পর্যায়ের নেতা’রা। ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এজাহারে স্বাক্ষর করেছে। আবার এইসব মেরিটলেস মামলা দায়ের থেকে চার্জশীট পর্যন্ত চলে / চলছে সীমাহীন বানিজ্য, অনৈতিক অর্থ লেনদেন। প্রথমে এজাহার রেডি করে একদফা বানিজ্য হয়েছে এজাহার থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য। এজাহার দায়ের করার পর ‘ঘটনায় জড়িত নয়’ বলে বিভিন্ন আসামীর পক্ষে বাদীর এফিডেবিট নিয়ে আরেকদফা বানিজ্য হয়েছে / হচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে অবশ্য নিহত’দের পরিবারের সদস্য’রাও ‘মামলা বানিজ্য’ করার জন্য অনৈতিক উদ্দেশ্য মামলা দায়ের করেছে। সারাদেশে পাবলিকের দায়ের করা শত-হাজার মামলা এবং প্রায় ৫০০ থানা-ফাঁড়ি ভাংচুর-লুটপাট, অস্ত্র লুট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার হাজার হাজার অজ্ঞাতনামা আসামী থাকায় পুলিশেরও চলছে পুরো ঈদের সিজন।

সবার জ্ঞাতার্থে একটা বিষয় বলি, যেকোনো মামলার এজাহার বা প্রথমিক তথ্য বিবরনীতে বাদী যা খুশী লিখতেই পারে, সমস্যা নাই। মূল কাজ হলো তদন্তকারী কর্মকর্তার, উনি পুরো ঘটনা তদন্ত করে অভিযোগ পত্র অথবা চুড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে আদালতে। অভিযোগ পত্রের উপর বিচারকার্য শুরু হয় আর চুড়ান্ত প্রতিবেদন মানে মামলা শেষ। শুধুমাত্র জড়িত অপরাধীদের নামই আসে অভিযোগপত্রে এবং অভিযোগ পত্রের উপর ভিত্তি করেই বিচারকার্য চলে। অথচ বর্তমানে অভিযোগ পত্র বা চার্জশীটের অর্থই পাল্টাই ফেলছে পুলিশ তথা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

অবাক করা বিষয় হলো দেশত্যাগ করার পর সংঘটিত ঘটনার এইসব মামলায় ‘সুপ্রীম অথরিটি’ হিসেবে চার্জশীটও হচ্ছে শেখ হাসিনা সহ অন্যান্যদের অভিযুক্ত করে !!!

পুরোপুরি ‘কর্তার ইচ্ছাই কর্ম’ ফর্মুলায় এমন এমন সবার নামে চার্জশীট দেয়া হচ্ছে যে, যারা ঘটনাস্থলেও জীবনে যায় নাই !!! এজাহার / চার্জশীট অনুযায়ী ‘সংঘবদ্ধ হয়ে অপরাধ সংঘটন করা’ অভিযুক্তরা একজন অন্যজন’কে বা অন্য’দের চিনেই না এমন।

শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পরের ঘটনায় কোনোভাবেই কি প্রমান করা সম্ভব যে, সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটির (ঊর্ধ্বতনের নির্দেশনার দায়) আওতায় সংঘটিত ঘটনায় শেখ হাসিনা দোষী ???

অথচ এমন প্রায় তিন শতাধিক অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা পড়েছে এবং কয়েকটির বিচারকার্য শুরুও হয়েছে !!!

একটা ঘটনা বলি, বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জুতা দোকান কর্মচারী শহিদুল ইসলাম শহিদ জুলাই – আগষ্ট ষড়যন্ত্রকারী বা আন্দোলন সংশ্লিষ্ট কেউ ছিলো না; গত বছরের ৩রা আগষ্ট সন্ধ্যায় বহদ্দারহাটে বাজার করতে এসে রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে চকবাজার যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐদিন রাতেই মৃত্যুবরন করে।

পরবর্তীতে নিহত শহীদুল এর ভাই অটেরিক্সা চালক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০/৪০ জনকে আসামী করে ১৯শে আগষ্ট চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

পুলিশ এক বছর যাবৎ তদন্ত (?) করে এজাহারভুক্ত ৮ জনের মধ্যে একজনের নাম বাদ দিয়ে বাকী ৭ জন ও হাছান মাহমুদ, নওফেল, সাইফুজ্জামান জাবেদ, চসিক মেয়র আজম নাছির উদ্দিন, রেজাউল করিম চৌধুরী, এবিএম ফজলে করিম, এমএ লতিফ সহ মোট ২৩১ জনের নামে আদালতে একটি চার্জশীট দাখিল করে।

পুরো চট্টগ্রামের লীগ সংশ্লিষ্ট সবার নামের পাশে হাস্যকর ভাবে আলোচিত-সমালোচিত সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডার ছোট সাজ্জাদ ও তার বউ টিকটকার তামান্না’র নামও এই চার্জশীটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে !!! এবং জুলাই – আগষ্ট আন্দোলন সংশ্লিষ্ট কমপক্ষে ৫টি হত্যা মামলায় এই সাজাদ দম্পতি’কে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, চার্জশীটেও তাদের নাম থাকবে হয়তো।

মনপুতঃ না হওয়ায় মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম ঐ চার্জশীটের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজী আবেদন করেছিলো। মাননীয় আদালত ২৫শে সেপ্টেম্বর সেই নারাজী আবেদন খারিজ করে চার্জশীট গ্রহণের আদেশ দেন। এই হত্যা মামলা সংক্রান্ত একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম গত ২রা আগষ্ট (পোষ্ট লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/share/p/1Equhe1S6q)।

গত কয়েক মাস শহীদ গেজেট স্ক্যাম নিয়ে কাজ করার কারনে খেয়াল করি জুলাই – আগষ্ট ষড়যন্ত্র বা আন্দোলনে নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা প্রায় প্রতিটা মামলা’তেও ভুয়া বা মিথ্যা বর্ননা, ভুয়া বাদী, এক ঘটনায় ২/৩টা মামলা দায়ের সহ অসংখ্য স্ক্যাম আছে। যেমন ৫ই আগষ্ট পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করার পরও সংঘটিত অসংখ্য মামলায় সুপ্রিম অথরিটি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’কে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এইসব মামলায় আছে ধর্ষনের অভিযোগে গণপিটুনীতে নিহত, লুটপাট করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত সহ বিভিন্ন মিথ্যা ঘটনা। একই ঘটনায় ভুয়া বাদী ও পরিবারের সদস্যদের দায়ের করা মামলা ছাড়াও আছে একই ঘটনায় মাত্র ৪৫ মিনিট ব্যবধানে একই থানায় পরপর ২টি হত্যা মামলা দায়ের হওয়ার ঘটনা, একই ঘটনায় নিহতের পিতা-মাতা-ভাই, নিহতের বউ-মা এর দায়ের করা আলাদা আলাদা মামলা আছে। ঘটনা ও ঘটনাস্থলের সাথে বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরেও এমনকি ঘটনার সময় বিদেশে কিংবা কারাগারে আটক থাকার পরেও হত্যা মামলার আসামী হওয়ার রেকর্ড হয়েছে এই ইন্টেরিয়ম আমলে। ৫ই আগষ্ট নিহত ব্যক্তির পাশাপাশি কয়েকবছর আগে নিহত ব্যক্তিও আছে আসামী’র তালিকায়।

প্রায় সমস্ত ঘটনায় শেখ হাসিনা সহ বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতাদের নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো মামলা হলেও আজ শুধুমাত্র শহীদ গেজেটে তালিকাভুক্ত হওয়া নিহত’দের এক ঘটনায় একাধিক মামলা সহ র‍্যান্ডমলি কয়েকটি মামলার স্ক্যাম নিয়ে আলোচনা করবো।

** ফয়সাল আহমেদ শান্ত (শহীদ গেজেটে সিরিয়ালে ৩৪ নাম্বার) ১৬ই জুলাই চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত ফয়সাল আহমেদ শান্ত’র পিতা মোঃ জাকির হোসেন বাদী হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৭৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১০০০/১২০০ জনকে আসামী করে গত বছরের ২১শে আগষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://www.dhakapost.com/amp/national/300792 )

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত ফয়সাল আহমেদ শান্ত’কে ছাত্র শিবিরের সাথী উল্লেখ করে পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ মাহবুবুল হাছান বাদী হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৯৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১০০০/১২০০ জনকে আসামী করে ২৭শে ডিসেম্বর ২০২৪ইং তারিখে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ মডেল থানায় দ্বিতীয় হত্যা মামলা দায়ের করে।

উল্লেখ্য, নিহত ফয়সাল আহমেদ শান্ত’র মামলার মতো চট্টগ্রামে নিহত ওয়াসিম আকরাম, ফারুক, সাইমন, তানভীর সিদ্দিকী ও হৃদয় চন্দ্র তরুয়া হত্যা মামলাও থানায় দায়েরের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয়েছে।

** শাহরিয়ার হোসেন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল ২৩৬ নাম্বার) ১৯শে জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর ময়ূর ভিলার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত শাহরিয়ার হোসেন রোকন এর পিতা মনির হোসেন বাদী হয়ে ৩রা সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ৪৫মিনিটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৩৮ জনের নাম উলে­খ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০/৩০০ জনকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা দায়ের করে, নাম্বার- ৬।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ ১ম মামলা দায়ের করার ঠিক ৪৫ মিনিট পর দুপুর ১টা ৩০মিনিটে ১০০নং ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে একই ঘটনার জন্য সেই মোহাম্মদপুর থানায় আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করে, এই মামলার নাম্বার- ৭। দ্বিতীয় মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৬৮ জনের নাম উল্লে­খ করা হয়।

(বিস্তারিত- https://www.jugantor.com/law-justice/889697 )

** মোঃ আব্দুল্লাহ আল তাহির (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৩৮৬ ট) ১৯ জুলাই রংপুর সিটি বাজারের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত)

==>> ১ম মামলাঃ নিহত তাহিরের বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে ১৮ই আগষ্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://bangla.thedailystar.net/…/crime…/news-606556 )

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত তাহিরের মা শিরিন বেগম বাদী হয়ে ১ম মামলা দায়ের করার ১২দিন পর ৩রা সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালি আমলি আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/…/bangla…/district/p4i89eg1au )

** সাজ্জাদ হোসেন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল ৩৫১ নাম্বার) ১৯শে জুলাই রংপুর সিটি বাজারের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত সাজ্জাদ হোসেন এর স্ত্রী জিতু বেগম বাদী হয়ে ২০শে আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত সাজ্জাদ হোসেন এর মা ময়না বেগম বাদী হয়ে ১ম মামলা দায়ের করার ১৯দিন পর ৮ই সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৪৯ জনের নাম উল্লেখ করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালি আমলি আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ।

** মেরাজুল ইসলাম (শহীদ গেজেটের সিরিয়াল নাম্বার ৩৮৩) ১৯শে জুলাই রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত মেরাজুল এর মা আম্বিয়া বেগম বাদী হয়ে ১৮ই আগষ্ট রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা সহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা করে।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত মেরাজুল এর স্ত্রী নাজমিম ইসলাম বাদী হয়ে ১ম মামলা দায়ের করার মাত্র ৭দিন পর ২৫শে আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোতয়ালী আমলী আদালতে দ্বিতীয় হত্যা মামলা দায়ের করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতয়ালী থানাকে পূর্বের মামলার সঙ্গে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

** আসিফ ইকবাল (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল ৮৭ নাম্বার) ১৯ই জুলাই সন্ধ্যায় মিরপুর ১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় ৭.৬২ গুলির স্নাইপার শটে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। নিহত আসিফ বিবিএ শেষ করে একটি বায়িং হাউসে চাকরি করতো।

(বিস্তারিত- https://www.bssnews.net/…/stories-of-mass-upsurge/150268 )

==>> ১ম মামলাঃ নিহত আসিফ ইকবাল এর পিতা রাজ্জাক বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৫০০ জনকে আসামি করে ২১শে আগষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) একটি মামলা দায়ের করে।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ ঢাকার মিরপুরের বাউনিয়া বাঁধ এলাকার জনৈক মোঃ নওশাদ আলী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ১৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা অনেকজনকে আসামী করে ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম (পল্লবী আমলী) আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার নং-৬৮৪/২০২৪। তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

** রিফাত (শহীদ গেজেটের সিরিয়াল ১২৭ নাম্বার) ৪ঠা আগষ্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত রিফাত হোসেনের মামা পরিচয়ে জনৈক আব্দুর রাজ্জাক ফকির বাদী হয়ে ঘটনার ১৪ দিন পর ১৮ই আগষ্ট দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত রিফাত এর মা নিপা বেগম বাদী হয়ে ১লা সেপ্টেম্বর কুমিল্লার আদালতে আরেকটি হত্যা মামলা করে। মামলাটির তদন্ত করার দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

দুই মামলাতেই সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর সহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের ৪ শতাধিক নেতা-কর্মী-সমর্থর’দের আসামি করা হয়।

(বিস্তারিত- https://www.jugantor.com/country-news/870420 )

** আস-সাবুর (শহীদ গেজেটে সিরিয়ালে নাম্বার ৪৪৪) ৫ই আগষ্ট বাইপাইলে এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত সাবুর এর চাচাতো ভাই সাহিদ হাসান মিঠু বাদী হয়ে ১৬ই আগষ্ট ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সহ আওয়ামী লীগের ১১৯ জন নেতা-কর্মী-সমর্থক এর নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

==>> ২য় মামলাঃ নিহত সাবুর এর মা রাহেন জান্নাত ফেরদৌসী বাদী হয়ে ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সহ আওয়ামী লীগের ৪০ নেতা-কর্মী-সমর্থক এর নাম উল্লেখ করে ও আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ১৮ই আগষ্ট আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এবং

==>> ৩য় মামলাঃ আস-সাবুরের ভাই মো. রিজওয়ানুল ইসলাম বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১১ই সেপ্টেম্বর আরেকটি অভিযোগ দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/45d8b08b5d8d )

** রিয়াজ (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৮০১) ৫ই আগষ্ট ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত রিয়াজের স্ত্রী ফারজানা বেগম বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে একটি হত্যা মামলা করে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

==>> ২য় মামলাঃ নিহত রিয়াজের স্ত্রী ফারজানা বেগম বাদী হয়ে ২৩শে অক্টোবর সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান সহ ১৯২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এবং

(বিস্তারিত- https://www.somoynews.tv/news/2024-10-24/wBXPU5Bz )

মামলায় রিয়াজের মৃত্যুর ঘটনাস্থল দেখানো হয় নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের সামনে।

==>> ৩য় মামলাঃ নিজেকে নিহত রিয়াজের ভাই দাবী করে জনৈক জাহিদুল ইসলাম চলতি বছরের মার্চে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি নালিশি মামলা করে। মামলায় শেখ হাসিনা সহ ২৮১ জনকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি ভাটারা থানা-পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এই মামলায় রিয়াজের মৃত্যুর ঘটনাস্থল দেখানো হয় ভাটারা থানার যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের সড়ক এলাকা।

রিয়াজ হত্যাকান্ডের ঘটনায় একাধিক মামলা নিয়ে পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পর শুধু ফতুল্লা থানায় দায়ের করা মামলায় চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় এবং নিহতের রিয়াজ এর বাবা যাত্রাবাড়ী থানায় নতুন করে আরেকটি হত্যা মামলা করে।

(বিস্তারিত- https://www.ajkerpatrika.com/amp/crime/dhaka/ajplqjaaqs0wv )

** ইব্রাহিম (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৭০১) ১৯শে জুলাই বিকালে নারায়ণগঞ্জ রোডের পাসপোর্ট অফিসের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত ইব্রাহিম এর মামা পরিচয়ে জনৈক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৬১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১৫০/১৬০ জনকে আসামি করে ২২শে আগষ্ট ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

==>> ২য় মামলাঃ নিহত ইব্রাহিম এর বাবা মো. হানিফ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ২৩৫ জনকে আসামী করে ২৪শে আগষ্ট সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এবং

==>> ৩য় মামলাঃ নিহত ইব্রাহিম এর বাবা মো. হানিফ আগে দায়ের করা মামলার আসামি সংযোজন-বিয়োজন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ২০৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০০/৩০০০ জনকে আসামি করে আবারও যাত্রাবাড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

** আবদুল্লাহ বিন জাহিদ (শহীদ গেজেটে সিরিয়ালে নাম্বার ৭০৯) ৫ই আগষ্ট রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে উত্তরায় এপিবিএন সদর দপ্তরের কাছে গুলিবিদ্ধ হয় এবং রাত ৯টার আগেই মারা যায়।

==>> ১ম মামলাঃ জাকিউল্লাহ বাহার নামে জনৈক ব্যক্তি বাদী হয়ে ২২শে আগষ্ট শেখ হাসিনা সহ ৩৪ জনকে আসামি করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলার আবেদন করে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে বিমানবন্দর থানাকে তা এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত আবদুল্লাহর মা ফাতেমা তুজ জোহরা লাভলী বাদী হয়ে শেখ হাসিনা সহ ১৫ জনকে আসামী করে ১১ই সেপ্টেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করে।

একটি জিনিস মনে করিয়ে দিই, ঐযে গত ১লা জুলাই এক মহিলার বক্তব্য “সারজিস-হাসনাতকে ১০০ বার ফোন দিলেও রিসিভ করে না” ভাইরাল হয়েছিলো, ঐ মহিলা নিহত “আবদুল্লাহ বিন জাহিদ” এর মা।

** মোঃ আল আমিন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৭৩৫) ৫ই আগষ্ট দিবাগত রাত আড়াই টায় মেরুল বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত পাশের রাস্তায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ মো. মোজারুল নামের জনৈক ব্যক্তি বাদী হয়ে শেখ হাসিনা সহ ১৯৫ জনকে আসামি করে ঢাকার আদালতে মামলা করে, পরে ২৭শে অক্টোবর হাতিরঝিল থানা মামলাটি নথিভুক্ত করে। এজাহারে দেখা যায়, ১৮৩ ও ১৮৭ নম্বর আসামি হিসাবে আছে একই ব্যক্তি।

==>> ২য় মামলাঃ নিহত আল আমিনের চাচা রহমান মাল বাদী হয়ে শেখ হাসিনা সহ ১৮৭ জনকে আসামি করে ১লা ডিসেম্বর ঢাকার আদালতে সিআর মামলা করে। পরে আদালতের নির্দেশে গত ২১শে ডিসেম্বর ভাটারা থানা জিআর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।

একটি মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বিটিভির বিপরীত পাশে হাতিরঝিলের মোল্লা টাওয়ারের সামনে আল আমিন গুলিতে মারা যায় এবং অন্যটির এজাহারে বলা হয়েছে, ভাটারার ১০০ ফুট সড়কে আল আমিন মারা যায়।

(বিস্তারিতঃ https://samakal.com/bangladesh/article/272184/এক-হত্যাকাণ্ডে-দুই-মামলা-জানে-না-পরিবার )

** তাওহিদুল আলম জিসান (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৮১৮ ছিলো, পরবর্তীতে চলতি বছরের ৩রা আগষ্টের প্রজ্ঞাপনে নাম বাদ দেয়া হয়) ৩০শে জুলাই পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়ির কাছে মারামারি করে ছুরিকাঘাত নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত জিসান এর পিতা আলমগীর মোল্লা বাদী হয়ে জিসানের বন্ধু নাঈম ও তাঁর বাবা কামালের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনকে আসামি করে ৩১শে জুলাই একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত জিসান এর পিতা আলমগীর মোল্লা বাদী হয়ে ১ম মামলার ২ আসামী সহ আরও ২৮ জনকে নতুন করে আসামি করে ৩রা সেপ্টেম্বর একটি সিআর মামলা দায়ের করে।

অবাক করার বিষয় হলো, ১ম মামলার ১ নাম্বার স্বাক্ষীকে ২য় মামলায় ৩ নাম্বার আসামী করা হয়েছে।

** সানি আহমদ (পেশায় রাজমিস্ত্রি, শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৭) ৪ঠা আগষ্ট সিলেটের গোলাপগঞ্জে পুলিশ ও বিজিবি’র গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ নিহত সানি’র পিতা কয়ছর আহমদ বাদী হয়ে সিলেট-৬ আসনের সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদ সহ ১১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৮০/৯০ জনকে আসামী করে গোলাপগঞ্জ থানায় ২৭শে আগষ্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

(বিস্তারিত- http://www.sylhetbarta24.com/news/details/Politics/129816 )

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত সানি’র পিতা কয়ছর আহমদ ২রা সেপ্টম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৩০/৪০জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ২য় আদালতে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

** মো: লাবলু মিয়া (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৭১০) গত ৫ই আগষ্ট ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানার ৩নং সেক্টরের রবীন্দ্র স্মরনির আর্মি কমপ্লেক্সের উত্তরপার্শ্বের পাকা রাস্তায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

==>> ১ম মামলাঃ এই ঘটনায় নিহত লাবলু মিয়া’র আপন বড় ভাই ডালু বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ১৭৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০০/৪০০ জনকে আসামি করে গত ২২শে আগষ্ট ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এবং

==>> ২য় মামলাঃ নিহত লাবলু মিয়া’র ফুফাত ভাই দাবি করে জনৈক দুখু মিয়া মৃত্যুবরণ করার স্থান পরিবর্তন করে শেখ হাসিনা সহ ২২২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০/৩০০ জনকে আসামি করে ৩১শে আগষ্ট উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

প্রতারণা করে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ এনে ভুয়া বাদী দুখু মিয়া’র বিরুদ্ধে আদালতে গত ১৭ই নভেম্বর মামলা করে নিহত লাবলু মিয়া’র বড় ভাই ডালু।

(বিস্তারিত- https://dhakamail.com/country/198999 )

*** এবার বলছি কয়েকটি ভুয়া বাদী / ভুয়া মামলা বিষয়ে ***

** বহুল আলোচিত এনায়েতপুর থানা হামলা-ভাংচুর, পুলিশ হত্যা, অস্ত্র লুট ও অগ্নিসংযোগ করার সময় পুলিশের গুলিতে ৩জন নিহত হয় গত বছরের ৪ঠা আগষ্ট।

==>> সিয়াম হোসেন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ২১৯) নিহতের ঘটনায় এনায়েতপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হযরত আলী বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মমিন সহ ৮৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৫০০/৭০০ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করে।

(বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/…/bangla…/district/qp1bdfjp7j )

==>> নিহত শিহাব আহমেদ (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ২২০) নিহতের ঘটনায় এনায়েতপুর থানার সন্তোষা গ্রামের জনৈক সোলায়মান হোসেন বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মমিন সহ ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৫০০/৭০০ জনকে আসামি করে ১৯শে আগষ্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://sirajganjprotidin.com/মামলা-2/ )

==>> মোঃ ইয়াহিয়া আলী (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ২২১) নিহতের ঘটনায় ইয়াহিয়া আলীর স্ত্রী শাহানা খাতুন বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মমিন সহ ৮৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০/৭০০ জনকে আসামী করে ২২শে আগষ্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/…/bangla…/district/qp1bdfjp7j )

বাস্তব ঘটনা হলো উপরে উল্লেখিত এনায়েতপুর থানায় দায়ের করা ৩টি মামলার ১টি মামলাও নিহতদের পরিবারের সদস্য’রা দায়ের করে নাই এবং তাদের জ্ঞাতসারে হয় নাই। নিহতদের পরিবার চায় না এই মামলাগুলো চলমান থাকুক। এমনকি মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনও করেছে নিহতদের স্বজনেরা।

গত বছরের ৩রা নভেম্বর উপজেলার খুকনী ইউনিয়নে নিজ নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করে নিহত ইয়াহিয়া’র স্ত্রী শাহানা খাতুন, নিহত সিয়াম হোসেন এর পিতা আব্দুল কুদ্দুস ও নিহত শিহাব হোসেন এর মা শাহনাজ বেগম।

=> নিহত সিয়াম হোসেনের পিতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আমার ছেলে থানার সামনে পুলিশের গুলিতে মারা যায়। কে বা কারা এ বিষয় মামলা করেছে, মামলার বাদী কে তাঁকেও আমরা চিনি না। আমাদের কাছে থেকে মামলার বিষয় অনুমতি নেয় নাই কেউ। আমার ছেলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করতে দেব না। আমরা তো মামলা করি নাই, লাশ কেন তুলবে। এ মামলা প্রত্যাহার চাই।

=> নিহত শিহাব হোসেন এর মা শাহনাজ বেগম বলেন, আমার সন্তান শিহাব হোসেন পুলিশের গুলিতে মারা যায়। এর জন্য মামলা দিয়ে কোনো নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি আমরা করতে চাই না। কে মামলা দিয়েছে তাঁকে আমরা চিনি না। আমরা কাউকে মামলা দেওয়ার অনুমতি দেইনি। আমি তো মামলা করি নাই। তাই মামলা চালানোর কোনো প্রশ্নই আসে না। আমি চাই এই মামলা প্রত্যাহার করা হোক। শিহাব এর মরদেহ যেন কাটা-ছেঁড়া না করা হয়। আর যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য আমার সন্তানের লাশকে ব্যবহার করে ব্যবসা করতে চান তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

=> নিহত ইয়াহিয়া’র স্ত্রী শাহানা খাতুন বলেন, আমার স্বামী ইয়াহিয়া পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এই ঘটনায় আমি মামলা করতে ইচ্ছুক ছিলাম না কিছু লোক এসে আমার কাছে থেকে একটা সই নেন। তারপর সবার মুখে মুখে জানতে পারি তাঁরা এই সই দিয়ে থানায় এজাহার দিয়েছে মামলার বিষয় আমি কিছুই জানি না। আর আমার স্বামীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করতে দেব না। নতুন করে আর শোক নিতে পারব না। এখন মরা মানুষকে নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের নিউজঃ

* https://www.ajkerpatrika.com/…/rajshahi/ajp5seiwh4gig

* https://www.kalerkantho.com/…/countr…/2024/11/03/1442348

* https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/0cbaf62c16a2

** রুদ্র সেন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৫৮২) গত বছরের ১৮ই জুলাই সন্ধ্যার পর ভেলায় খাল পারাপারের সময় পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়।

(বিস্তারিত- https://thedailycampus.com/student-movement…/209958/amp )

এই ঘটনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, শাবিপ্রবি শাখার সমন্বয়ক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, শাবিপ্রবির সদ্য সাবেক উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন, সিলেট-৩ আসনের সাবেক সাংসদ হাবিবুর রহমান হাবিব, সুনামগঞ্জ ১ আসনের সাবেক সাংসদ রঞ্জিত সরকার, মৌলীভাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ৭৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩০০ জনকে আসামি করে ১৯শে আগষ্ট সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আব্দুল মোমেনের আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

** তোফাজ্জল হোসেন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৩৫০) ৪ঠা আগষ্ট ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিহত হয়।

নিহত তোফাজ্জল এর ‘সহযোদ্ধা’ দাবি করে জনৈক শরিফ এই ঘটনার ২২৯ দিন পর চলতি বছরের ২১শে মার্চ শেখ হাসিনা সহ ২৪৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে অথচ জানে না নিহত তোফাজ্জল হোসেন এর পরিবার !!!

(বিস্তারিত-https://www.prothomalo.com/…/bangla…/district/b4a04d29y0 )

** জুবায়েদ হোসেন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৪৯৩) ৫ই আগষ্ট শনির আখড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

এই ঘটনায় জনৈক মনির বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের ৯১ জন নেতা-কর্মী’র নামে যাত্রাবাড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

মামলা দায়েরের বিষয়ে নিহত জুবায়েদ এর মা হোসনে আরা বেগম ও বাবা নাজির মিয়া জানান, মামলার বাদী কে তারা চিনেন না। মামলায় অভিযোগ অনুযায়ী তার পুত্র কে আসামিরা তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে সেটি সত্য নয়।

(বিস্তারিত-https://www.dailybhorerdak.com/news/237288 )

* নিহত জোবায়েদের পরিবার জানে না মামলার বাদী কে- https://www.jugantor.com/country-news/877829 এবং

* কিশোর খুনে ২ থানায় ২ মামলা, বাবার মামলা হলো না – https://www.prothomalo.com/…/bangladesh/crime/tev2cibz6j

** হৃদয় চন্দ্র তরুয়া (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল ১৫০) গত বছরের ১৮ই জুলাই গুপ্তঘাতক (বিস্তারিত- https://www.somoynews.tv/news/2024-07-29/t2tQUMHY ) এর গুলিতে আহত হয়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩শে জুলাই সন্ধ্যায় ঢাকায় মৃত্যুবরণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা- https://www.banglatribune.com/others/856259/হৃদয়ের-মৃত্যুর-প্রত্যক্ষদর্শী-কী-বলতে-চান

এই ঘটনায় নিহত হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার বন্ধু দাবী করে জনৈক আজিজুল হক বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সহ ২০৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

এই ভুয়া বাদীর বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম ২৩শে আগষ্ট (পোষ্ট লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/share/p/1C2KGZ2VGU) এবং

ভুয়া বাদী নিয়ে নিউজও হয়েছিলো। (বিস্তারিত- https://bangla.thedailystar.net/news/chattogram/news-625016 )

** শাহরিক চৌধুরী মানিক (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ২৬৯ এবং শহীদ গেজেটে নাম লিপিবদ্ধ হয়েছে মানিক মিয়া শারিক চৌধুরী) ৫ই আগষ্ট রাজধানী ঢাকার চানখারপুল এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

এই ঘটনায় নিহত শাহরিক এর খালাতো ভাই দাবী করে মিরপুর এলাকার জনৈক রাজু আহমেদ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলার আবেদন করে। পরে আদালত মামলাটি শাহবাগ থানায় এফআইআর হিসাবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।

বিষয়টি জানতে পেরে শাহরিক এর পিতা আনিসুর রহমান চৌধুরী ওই ভুয়া বাদীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://www.deshrupantor.com/581263/শাহরিক-হত্যা-মামলার-বাদীকে-চেনে-না-পরিবার )

** সজল নিয়া (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৪২৪) গত বছরের ২০শে জুলাই বিকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

এই ঘটনার ৯ মাস পর নিহতের মা রুনা বেগম বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৬২ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ১৬ই মে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে

(বিস্তারিত- https://www.dhakapost.com/country/366550 )

অথচ বাদী জানায় “আমি নিজে থানায় গিয়ে মামলা করছি ঠিক। কিন্তু কারও নাম দেই নাই। আমি তো কাউরে চিনিই না, কার নাম দিমু?”

বাদী জানেন না আসামির নাম দিল কারা?

(বিস্তারিত- https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/008a547eb4a0 )

** কাওছার মাহমুদ (শহীদ গেজেটে সিরিয়ালে নাম্বার ৭৬৮) দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনি রোগে আক্রান্ত থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বছরের ১৩ই অক্টোবর মারা যায়।

(বিস্তারিত- https://ctgpratidin.com/ধোঁয়াশায়-চট্টগ্রামের/?fbclid= )

জুলাই – আগষ্ট আন্দোলনে নিহত কাওছার মাহমুদ এর কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরেও কাওছার মাহমুদ এর নাম শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং কাওছার জুলাই – আগষ্ট আন্দোলনে নিহত হয়েছে এমন দাবী করে তার পিতা আব্দুল মোতালেব গত ১লা জুলাই আওয়ামী লীগের ৯১ জন নেতা-কর্মী-সমর্থক এর নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০/২৫০ জনকে আসামী করে চট্টগ্রামের কোতয়ালী একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

কাওছার মারা যাওয়ার প্রায় ৯ মাস পর দায়ের করা এই ভুয়া মামলায় ৯১ জন আসামীর মধ্যে ৯ জনের নাম আছে ২ বার করে ও ১ জনের নাম আছে ৩ বার। এমনকি ২০২০ ও ২০২৩ সালে মৃত্যুবরণ করা ২ জন আওয়ামী লীগ নেতাও আছেন আসামী হিসেবে !!!

কিডনি রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর কাওসার মাহমুদ এর কিছু প্যাথলজি রিপোর্ট

https://drive.google.com/file/d/1SMzfIJMKd9FnbuYQQJXacCNq0kFETtR6/view?usp=drivesdk

কাওসার মাহমুদ চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাওয়া পোষ্ট এবং ফেসবুক এক্টিভিটি – https://drive.google.com/file/d/1TH0Oeijvqru50ZYW15zHnyNmoct9CRn9/view

এই বিষয়ে বিস্তারিত একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম। (পোষ্ট লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/share/p/17L8XEbfj8)

আরেকটা বিষয়, নিহত কাওছার মাহমুদ এর বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম নগরীর মোগলটুলি এলাকায়। এখানে তার পিতা আব্দুল মোতালেব এর একটি মুদি দোকান আছে এবং দীর্ঘদিন যাবৎ পুরো পরিবার সহ সবাই মোগলটুলি এলাকায় বসবাস করে। তারপরেও শহীদ গেজেটে স্থায়ী-অস্থায়ী দু’টি ঠিকানাই নোয়াখালি দেয়া হয়েছে।

** নিজাম উদ্দিন (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৩৭) গত ৫ই আগষ্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে হামলা ও সহিংসতা চালানোর সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়।

(বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/t5we224kxe )

এই ঘটনার প্রায় ১১ মাস পর নিহত নিজাম উদ্দিন এর পিতা সাহাবউদ্দিন গত ১লা জুলাই আওয়ামী লীগের ৩৫ জন নেতাকর্মী ও অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০ জনকে আসামী করে চট্টগ্রামের কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

** মো: শাহিনুর আলম (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বা ৭২৮) ৫ই আগষ্ট রাজধানী ঢাকার লালবাগে গুলিতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ই আগষ্ট ভোরে মারা যায়।

এই ঘটনায় নিহত শাহিনুর এর ভাই মাজেদুল ইসলাম লালমনিরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য ৩ জন সহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ২০০/৩০০ জনকে আসামি ২৭শে আগষ্ট লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নাম্বার- ১০।

শাহিনুর ঢাকার লালবাগ এলাকায় নিহত হলেও এই মামলায় দেয়া আসামীদের মধ্যে শুধুমাত্র ১ জনের ঠিকানা ঢাকায়, বাকী ৭২ জনের একজনেরও বর্তমান ঠিকানা ঢাকায় নয়। সব আসামি কালীগঞ্জ ও লালমনিরহাট এলাকার।

(বিস্তারিত- https://www.eshomoy.com/front/singel/50/10096 )

দায়ের করা এই হত্যা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, “গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু লালবাগ এলাকায় পরদিনও দুর্বৃত্তরা সংঘর্ষ চালায়।

৬ আগষ্ট ভোরে শাহিনুরকে লালবাগ এলাকায় এজাহারে উল্লেখিত ব্যক্তিরা গুলি করে হত্যা করে।“

আবার নিহত শাহিনুর এর পিতা আব্দুল জাব্বার এক অঙ্গীকারনামায় লিখেছেন, তার ছেলে ঢাকায় একটি অটোরিকশা গ্যারেজে থাকতেন এবং অটো চালানোর কাজ করতেন। ৬ই আগষ্ট ফজরের নামাজ শেষে গ্যারেজে ফেরার সময় লালবাগ থানার সামনে পুলিশের গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

** জাবির ইব্রাহীম (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৪০৬) ৫ই আগষ্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর ছাত্র-জনতা নামের দুর্বৃত্তরা উত্তরা পূর্ব থানায় হামলা চালায় এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উত্তরার জসীম উদ্‌দীন সড়কে মা-বাবার সঙ্গে রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় ছোট্ট জাবির। (বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/bangladesh/n96dkgf3i3 )

এই ঘটনায় নিহত জাবির ইব্রাহিম এর পিতা কবির হোসেন বাদী হয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় ৩রা সেপ্টেম্বর একটি মামলা দায়ের করা হয়। জাবির ইব্রাহিম হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মেয়র অতিকুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর আফসার উদ্দিন খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান সহ ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

** মোঃ নবী নুর মোড়ল (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৩১৯) ২০শে জুলাই বিকেলে সাভার পৌরসভার ওয়াপদা রোডের তিন রাস্তার মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে মারা যায়)

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আকলিমা বেগম বাদী হয়ে গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ১২৫ জনের নামে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করে।

অথচ বাদীর ভাষ্য হলো ‘আমি বুধবার (৪ঠা সেপ্টেম্বর) থানায় যাই। তবে আমি মামলায় একজনেরও নাম দেইনি। আমি তাদের চিনিও না জানিও না। থানায় অনেক লোক ছিলো, তারা আমাকে এসে বলে স্বামী হত্যার বিচার চান না? আমি বলেছি চাই। পরে দুটি কপির মধ্যে সিগনেচার করছি। কিন্তু কারা যে এতগুলা নাম দিলো,কীভাবে দিলো এসব বিষয় আমার অজানা। আমি এতকিছু বুঝি না, আমি শুধু আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।’

(বিস্তারিত- https://www.kalbela.com/court-law/119899 )

** তারেক আহমদ (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৩১৪) ৫ই আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর বিয়ানিবাজার থানা আক্রমন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

এই ঘটনায় নিহত তারেক আহমেদ এর মা ইনারুন নেছা ৯ প্রবাসী, ৬ সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগের ৭৫ জন নেতা-কর্মী এবং অজ্ঞাতনামা ১৫০/ ২০০ জনকে আসামি ২০শে আগষ্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

পরবর্তীতে মামলার বাদী নিহত তারেক আহমেদ এর মা ইনারুন নেছা বলেছেন, ‘আসামিরা আমার পূর্বপরিচিত। তারা অত্র মামলার ঘটনার সাথে জড়িত নন। কে বা কাহারা একদল লোক আসিয়া আমার মৃত ছেলের জন্য সাহায্য চাইয়া দরখাস্ত দেওয়ার নাম করিয়া সাদা কাগজে দস্তখত নিয়া অহেতুক এই মামলা দায়ের করে। আমি এই মামলা পরিচালনা করিব না।”

এরপর ২২শে আগষ্ট সিলেটের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে ইনারুন নেছা মামলা আপোষে নিষ্পত্তিতে শেষ করতে আদালতে আবেদন করে।

(বিস্তারিত- https://www.deshrupantor.com/554115/আসামি-চেনেন-না-বাদী )

** সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজুল বেপারী (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৫৯৭) ৫ই আগষ্ট কাজ শেষে গ্যারেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে বাড্ডা থানা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। সিরাজুল ইসলাম পেশায় গ্যারেজ মিস্ত্রি ছিলো।

(বিস্তারিত- https://www.dhakapost.com/country/312039 )

এই ঘটনায় নিহত সিরাজুল ইসলাম এর খালাতো ভাই পরিচয়ে ফরিদপুরের সালথার খলিশাডুবি গ্রামের জনৈক হাসিবুল হাসান লাবলু ২৯শে আগষ্ট ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলার ৫৯ জন সহ ১২০ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামী করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

(বিস্তারিত- https://samakal.com/whole-country/article/254443/নিহতের-খালাতো-ভাই-পরিচয়ে-করলেন-হত্যা-মামলা-আসামিদের-সঙ্গে-যোগাযোগ-বাদীর )

তবে নিহতের স্বজনেরা মামলার বাদীকে চেনেনা-

(বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/yqg4rtk9mb এবং https://www.dhakapost.com/country/312039 )

তাই মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন সিরাজুল ইসলামের পিতা।

(বিস্তারিত- https://samakal.com/whole-country/article/259272/সেই-হত্যা-মামলা-প্রত্যাহারের-আবেদন-নিহতের-বাবার )

** মেহেরুন নেছা তানহা (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল ২১৫ নাম্বার)। ৫ই আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর তথাকথিত বিজয় মিছিলের নামে গণভবন লুটপাট শেষে রাত পৌনে ৮টার দিকে বাসায় ফিরে আসে। এর কিছুক্ষন পর ঘরের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় তানহা। পরিবার থেকে দাবী করা হয় কাফরুল থানা থেকে পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে তানহা নিহত হয়েছে, কিন্তু থানা থেকে ছোঁড়া গুলি তার বাসায় ঢুকার সম্ভাবনা প্রায় শূণ্য। ময়নাতদন্ত ছাড়া ওইরাতে ১১টার দিকে জানাজা শেষে মিরপুরের পূর্ববাইশটেক কবরস্থানে দাফন করা হয় মেহেরুনকে।

রহস্যজনক এই ঘটনায় তানহার পিতা মোশাররফ হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৪০ জনের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে !!!।

** মোঃ নাজমুল ইসলাম (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৫৬৩) ৫ই আগষ্ট বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উত্তরা পূর্ব থানার সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

এই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০/৩০০ জনকে আসামি করে ২৫শে আগষ্ট উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

(বিস্তারিত- https://www.shomoyeralo.com/news/293370 )

** নাফিসা হোসেন মাওয়া (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ৪৯৪) ৫ই আগষ্ট দুপুরে শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর সাভারে পুলিশের গুলিতে নিহত।

(বিস্তারিত- https://www.jugantor.com/country-news/877189 )

এই ঘটনায় নিহত নাফিসার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ১৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করে গত ১১ই সেপ্টেম্বর সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

** তাওহীদ সন্নামত (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ২৩৩) ১৯শে জুলাই মাদারীপুর পৌর শহরের যুব উন্নয়ন অফিসের সামনে গুলিতে নিহত হয়।

এই ঘটনায় মাদারীপুর সদর মডেল থানায় জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কামরুল হাসান বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৯২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫০০/৭০০ জনকে আসামি করে ২৫শে আগষ্ট মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

ঘটনা হলো, ময়নাতদন্ত করার জন্য তাওহীদ সন্ন্যামাতের লাশ কবর থেকে উত্তোলনে করতে আসেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম সরকার, কিন্তু লাশ উত্তোলনে করতে দেয়নি পরিবারের সদস্যরা। তাওহীদ এর মা রেশমা বেগম বলেন, তাওহীদ মারা যাওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে, এটা তাঁরা জানেন না। তাই কবর থেকে লাশ ওঠাতে দেবেন না। নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে বাদীর কোনো সম্পর্ক নেই।

(বিস্তারিত- https://www.prothomalo.com/…/bangla…/district/ww4dqta7my )

** মোঃ রিপন মিয়া (শহীদ গেজেটে সিরিয়াল নাম্বার ২৩৫) গত বছরের ৫ই আগষ্ট রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নিহত।

এই ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করে রিপনের বড় ভাই সরকার আকতার হোসেন।

অন্যদিকে রিপন মিয়া হত্যা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে নিরীহদের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ১৮ই জানুয়ারী শনিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ পৌরসভার একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন নিহত রিপন মিয়ার স্ত্রী খাদিজা বেগম।

ভুয়া বা মিথ্যা মামলা পরবর্তী ময়নাতদন্ত করার জন্য লাশ উত্তোলন করতে না দেয়ার মূল কাহিনী কিন্তু আরেকটা। ধরেন কেউ মারা গেলো অগ্নিদগ্ধ হয়ে কিংবা পুলিশের গুলিতে কিন্তু দলবদ্ধ ভাবে পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগে নিহতের পরিবার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থক সহ কয়েকশো জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করলো – এইসব মামলা ভুয়া এটা প্রমান না হওয়ার একটাই সমাধান হচ্ছে ময়নাতদন্ত করার জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করতে না দেয়া। গত এক বছরে এইরকম অসংখ্য পরিবার আদালতের নির্দেশ থাকার পরও ময়নাতদন্ত করার জন্য কবর থেকে লাশ তুলতে দেয় নাই।

পরিশেষে, এইভাবে যদি প্রতিটা মামলা নিয়ে লিখতে যাই তাহলে কয়েকশ মামলা নিয়ে লিখতে হবে। আর আপনাদেরও পড়তে বিরক্ত লাগবে কারণ মোটা দাগে আমরা সবাই জানি প্রায় প্রতিটা মামলার অবস্থা এইরকমই, প্রায় সবগুলোই স্ক্যাম। নিয়মিত পত্রিকা পড়লে এইরকম অসংখ্য ভুয়া মামলা ও ভুয়া বাদী নিয়ে নিউজ পাবেন।

তাই পোষ্ট আর বড় না করে এইরকম অল্প কয়েকটি নিউজ লিঙ্ক দিলাম, পড়ে দেখতে পারেন।

* আগে ছিল ‘গায়েবি’ মামলা, এখন ‘ইচ্ছেমতো’ আসামি- https://www.prothomalo.com/amp/story/bangladesh/485gbnaxwd

* চট্টগ্রামে ৪৯ মামলায় ভুগছেন নিরীহরাও- https://www.ajkerpatrika.com/ban…/chattogram/ajppsag8tl17h

* ৫ই আগষ্ট ঢাকায় গুলিতে নিহত হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা- https://www.ajkerpatrika.com/ban…/chattogram/ajpfoxlixjfjo

* আন্দোলনের এক বছর পর মামলা, মৃত ব্যক্তিসহ ২৫৭ জন আসামি- https://www.deshrupantor.com/amp/609053/আন্দোলনের-এক-বছর-পর-মামলা-মৃত-ব্যক্তিসহ-২৫৭-জন

* বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলায় মৃত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা- https://www.kalbela.com/country-news/206771

* জুনে হওয়া বিএনপি নেতার মৃত্যুকে ছাত্র আন্দোলনে নিহত দেখিয়ে মামলা- https://www.tbsnews.net/bangla/বাংলাদেশ/news-details-251336

* হৃদরোগে যুবদল নেতার মৃত্যু, ‘হত্যা’ দেখিয়ে আদালতে শেখ হাসিনার নামে মামলা https://www.banglatribune.com/country/rajshahi/901306/হৃদরোগে-যুবদল-নেতার-মৃত্যু-‘হত্যা’-দেখিয়ে-আদালতে

* জীবিত ভাইকে মৃত দেখিয়ে হাসিনা সহ মামলার আসামি ৪১ https://www.deshrupantor.com/amp/562024/জীবিত-ভাইকে-মৃত-দেখিয়ে-হাসিনাসহ-মামলার-আসামি-৪১

* গণঅভ্যুত্থানে নিহত দেখিয়ে মামলা, পরে থানায় হাজির- https://www.kalbela.com/ajkerpatrika/khobor/138597

* যুক্তরাষ্ট্রে বসে আসামি গুলি হয়েছে ঢাকায়- https://www.jugantor.com/tp-lastpage/851204

* ৫ই আগষ্ট ছিলেন কারাগারে, তারপরও তিনি হত্যাকাণ্ডের আসামী- https://www.tbsnews.net/bangla/বাংলাদেশ/news-details-272231?amp

* কারাবন্দী যুবদল নেতা জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি- https://www.ittefaq.com.bd/729805/কারাবন্দী-যুবদল-নেতা-জুলাই-আগস্ট-আন্দোলনে

* জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় মৃতও আসামি- https://www.prothomalo.com/…/opinion/column/0zhebh4442

* আমি মরি নাই- https://www.deshrupantor.com/amp/610363/আমি-মরি-নাই

সাথেই থাকুন,

শহীদ (!) গেজেট সংশ্লিষ্ট আরো ইস্যু সামনে আসবে, থাকবে চমকপ্রদ তথ্য।

error: Content is protected !!